|
ছোট বেলা থেকেই বাবা-মা কিংবা বাড়ির গুরুজনেরা শিক্ষা দিয়ে থাকেন যে মিথ্যা বলা মহাপাপ। কিন্তু আমরা কি পারি এই মিথ্যা বলা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে? এই জীবনে কেউ কখনোই মিথ্যা বলেননি তা, বিশ্বাস করা খুব কঠিন। এই মিথ্যা আবার অনেক প্রকারেরই হয়ে থাকে। কেউ বিপদে পড়ে মিথ্যা বলে, কেউ অপমানিত হওয়া থেকে বাঁচার জন্য বলে, আবার অনেক মানুষ আছে যারা ইচ্ছাকৃত ভাবে মিথ্যা বলে। আসলে মিথ্যা কথা বলা আমাদের অনেকেরই একটি অভ্যাস, তবে অবশ্যই এটি ভালো কোন অভ্যাস নয়। এই অভ্যাসটি কখনোই কারো মঙ্গল বয়ে আনতে পারেনা।
কারণ ছাড়া মিথ্যা বলা অনেকেই আছেন যারা কারণ ছাড়া মিথ্যা বলেন। কারণ তাদের মিথ্যা বলতে ভালো লাগে এবং এটি তার অভ্যাস। যাকেই সামনে পান, তার সাথেই মিথ্যা বলায় ডুবে যান। কিন্তু যতই অভ্যাসে পরিণত থাকুক না কেন এই মিথ্যা বলা একটি সময় আপনার জন্য কোন না কোন বিপদ অবশ্যই ডেকে আনবে এবং আপনি কখনোই এই বাজে অভ্যাসকে ছেড়ে সামনে এগোতে পারবেন না। তাই সময় থাকতেই এই অভ্যাস পরিবর্তন করা উচিত। বন্ধুদের সাথে মিথ্যা বলা আজকাল অল্প বয়সী ছেলে মেয়েরা খুব সচেতন তাদের স্ট্যাটাস নিয়ে। তারা মনে করে বন্ধুদের কাছে যে যত নিজেকে জাহির করতে পারবে সে তত বেশি আলোচনায় থাকবে। এবং আলোচনার শীর্ষে থাকার জন্যই অনেক ছেলে মেয়েরা নানা ধরণের মিথ্যা বলে থাকে। কিন্তু এভাবে মিথ্যা কথা বলে নিশ্চয়ই পার পাওয়া যায় না, একটি সময় ঠিকই সবার সামনে বেরিয়ে আসে আসল সত্য। তাই কোন দরকারই নেই মিথ্যা বলার, আপনি যা তাই সবাইকে বলুন খোলা মনে সংকোচ না করে। নিজের কর্ম ক্ষেত্রে মিথ্যা বলা কর্ম ক্ষেত্র প্রতিটি মানুষের জীবনেই বড় চ্যালেঞ্জ। সেখানে টিকে থাকতে হলে এবং নিজের ক্যারিয়ারকে সঠিক উপায়ে সামনে নিতে হলে অবশ্যই মিথ্যা বলা যাবেনা। কারণ কর্ম ক্ষেত্রে সামান্য মিথ্যাও আপনার জীবনে ভয়ংকর ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। তাই সব ধরণের মিথ্যা বলা থেকে নিজেকে দূরে রেখে কাজে মনোযোগ দিন। মিথ্যা বলে অফিস ভর্তি মানুষের সামনে লজ্জিত হওয়ার কোন দরকার নেই। পরিবার ও সঙ্গীর সাথে মিথ্যা বলা আমরা ভুল করি ঠিকই এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তখন বাবা-মার কাছে মিথ্যা বলি। মনে রাখবেন, বারবার ভুল করে মিথ্যা বলে কিন্তু সবসময় বেঁচে যাওয়া যায়না। কোন না কোন সময় ঠিকই ধরা পরে যাবেন এবং তা খুবই লজ্জাজনক। অনেকেই আবার তার জীবন সঙ্গী অথবা প্রেমিক-প্রেমিকার সাথেও অনেক মিথ্যা বলে থাকেন। সম্পর্কে যদি ভালোবাসা, বিশ্বাস থাকে তাহলে মিথ্যা বলার কী দরকার? সম্পর্কে সামান্য মিথ্যাও মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনে। তাই মিথ্যা না বলে যে কারণে মিথ্যা বলবেন ভাবছেন সেই কারণটি বলে সমস্যা সমাধান করুন। |
Labels: ৪ রকমের মিথ্যা এবং জীবনে সেগুলোর প্রভাব









comment closed