[বিউটি, টিপস], জেনে, নিন, ,, ফর্সা,, মসৃণ, ও, দ্যুতিময়, ত্বকের, জন্যে, ১০টি, ঘরোয়া, উপায,

আজ আমরা আপনাদের জানাব কিভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে আপনি আপনার ত্বক উজ্জ্বল রাখতে পারবেন।

★1.বেসন, লেবুর রস ও কাঠবাদাম একসাথে পেস্ট করে ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ফেলুন। বেসন ও লেবুর রস মুখের মৃত কোষ, কালোদাগ দুর করতে সহায়তা করে। কাজু বাদাম ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।

★2.কলা ও দুধ একত্রে পেস্ট করে মুখে ও ঘাড়ে ১৫ মিনিট রেখেদিন। তারপরে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বক মসৃন করতে কলার কোন জুড়ি নেই।

★3.মধুর ঔষধি গুনের কথা কে না জানে। ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃন করতেও মধু খুব কার্যকর। দই, মধু ও লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে২০ মিনিট ধরে মুখে লাগিয়ে রাখুন। এতকিছু হাতের কাছে না থাকলে শুধু মধুই ২০ মিনিট মুখেলাগিয়ে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত করলে কিছুদিন পরেই দেখতে পাবেন আপনার ত্বক আগের থেকে অনেক বেশী উজ্জ্বল হয়ে গেছে।

★4.আলু বা টমেটো শুধু ভাল সবজীই নয় বরং এক একটা রং ফসর্াকারী এজেন্ট। আলু এবং টমেটো পেস্ট প্রতিদিন ব্যবহার করলে আপনি পাবেন দ্যুতিময় ত্বক।

★5.মসুরের ডাল, দুধ লেবুর রস এবং চালের গুড়া একসাথে পেস্ট করলেই হয়ে যাবে সুন্দর ও কার্যকরী স্ক্রাব। সপ্তাহে তিন দিন ব্যাবহার করুন। আপনার ত্বক হবে আরো পরিষ্কার।

★6.ডিমের সাদা অংশ ও মধু একসাথে মিশিয়ে ২০ মিনিট মুখে মেখে রাখুন। তার পরে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক উজ্জ্বল ও টান টান ভাব আনতে সাহায্য করবে এই ফরমুলা।

★7.এক চামচ চিনির সাথে দুই চামচ লেবুর রস মিশিয়ে আলতো ভাবে মুখে ডলতে থাকুন যতক্ষন পর্যন্ত চিনি পুরোপুরি গলে না যায়। এমনকি পুরো শরীরেও লাগাতে পারেন।

★8.শিশুদের মত কোমল ও মসৃন ত্বক পেতে দুই চামচ চিনির মধ্যে তিনচামচ বেবী ওয়েল দিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে নিয়মিত ব্যবহার করুন।

★9.মুখে ব্রনের দাগ থাকলে কর্ণফ্লাওয়ার এবং শসার মিশ্রন তৈরী করে প্রতিদিন মাখতে থাকুন। দ্রুত ভাল ফল পাবেন।

★10.পানি, সবুজ সবজী, ফলের রস, মাছ, ডিম রক্ত পরিষ্কার করে থাকে তাই এইগুলো পর্যাপ্ত পরিমানে খেতে হবে।গুরুত্বপুর্ণ তথ্যঃ দিনের বেলায় বাইরে যাবার আগে সানস্ক্রীন (SPF-30) না লাগালে উপরে বর্নিত সবগুলো উপায়ই ব্যর্থ হতে পারে। এমনকি বাসায় ও সানস্ক্রীন (SPF-15) ব্যবহার করতে হবে বিশেষ করে যারা রান্নবান্না করে থাকেন।

[বিউটি, টিপস], জেনে, নিন, ,, ৭টি, অসাধারণ, খাবার, দূর, করবে, ব্রণের, সমস্যা,

ব্রন আমাদের সবারই খুব পরিচিত সমস্যা। আমরা কমবেশি অনেকেই এই অতিপরিচিত ব্রন সমস্যায় ভুগে থাকি। চিকিৎসা, রূপচর্চা কতকিছুই না মানুষ করে ত্বকের এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য। কিন্তু তারপরেও দেখা যায় অনেকেরই এই সমস্যা একেবারে চলে যায়না। ত্বকের এই ব্রন সমস্যার জন্য সঠিক রূপচর্চার পাশাপাশি আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য অভ্যাসেও পরিবর্তন আনা উচিত। এমন কিছু কিছু খাবার আছে যা নিয়মিত আপনার খাদ্য তালিকায় রাখলে এবং পাশাপাশি ত্বকের সঠিক যত্ন নিলে ব্রন সমস্যা হতে রেহাই পাওয়া যেতে পারে।

সবুজ শাকসবজি:

পাতা কপি, সবুজ যেকোন শাক ইত্তাদি সব ধরনের শাকসবজিতে থাকে ম্যাঙ্গানিজ। এই সকল ধরনের সবজির বিভিন্ন গুনাগুন আমাদের ত্বক পরিষ্কার রাখে এবং ত্বকের যে কোন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। সবুজ শাকসবজিতে থাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-এ, যা আমাদের ত্বকের জন্য খুব ভালো এবং এই ভিটামিন ত্বকের ব্রণের উপদ্রব কমায় ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যাও দূর করতে সাহায্য করে থাকে।

মাছ:

আমাদের দেহে মাছের উপকারিতা সম্পর্কে সবারই জানা আছে। মাছে আছে প্রচুর পরিমানে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা আমাদের ত্বকের জন্য খুবই ভালো। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আমাদের ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখে, ত্বকের চামড়ার ইলাস্টেন রক্ষা করে, ত্বকের সমস্যা দূর করে ও উজ্জলতা বৃদ্ধি করে।

মাশরুম:

মাশরুমে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-বি যা আমাদের ত্বকের নষ্ট হয়ে যাওয়া টিস্যু ঠিক করে ও রক্ষনাবেক্ষন করে। মাশ্রুমের ভিটামিন-বি উপদান আমাদের ত্বকের ব্রন ও ব্লেমিশেস সমস্যা রোধ করে থাকে।

চকলেট:

অনেকেই মনে করে থাকেন বেশি বেশি চকলেট খাওয়ার কারনে ত্বকে ব্রনের সমস্যা হয়ে থাকে কিন্তু এই ধারনাটি সম্পূর্ণ ভুল কারন যাদের ত্বকে ব্রনের সমস্যা আছে চকলেট তাদের ত্বকে অসাধারন ভাবে কাজ করে। চকলেটের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্লেভানয়েডস আমাদের ত্বক মসৃণ করে, ত্বকের চামড়ায় টান টান ভাব আনে ও ভিতর থেকে সুস্থ ভাবে ত্বক গঠনে সাহায্য করে থাকে।

আম:

ভিটামিন-এ তে ভরপুর আম দারুন সুস্বাদু একটি ফল এবং এই ফল আমাদের ত্বকের জন্যও খুব উপকারি। আমের ভিটামিন আমাদের ত্বক মসৃণ করে ও ত্বকের সুস্থ গঠনে সাহায্য করে। তাছাড়া আমের ভিটামিন আমাদের ত্বকের বলিরেখা, ব্রন, লিভার সমস্যা ও স্কিন ক্যানসার রোধ করে।

কাজুবাদাম:

ভিটামিন-ই তে ভরপুর কাজু বাদাম আমাদের ত্বকের জন্য অনেক ভালো এবং এই বাদাম আমাদের ত্বকের সুস্থতায় অনেক সাহায্য করে ও ত্বক মশ্চারাইজ রাখে। তাছাড়া ত্বকের নানা রকমের সমস্যা দূর করতে কাজুবাদাম এর উপকারিতা অনেক। কাজুবাদাম আমাদের ত্বককে UV রশ্মি থেকে রক্ষা করে এবং আপনি যদি অনেক লম্বা সময় ধরে এই বাদাম প্রতিদিন খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন তাহলে ত্বকে ব্রনের সমস্যা রোধ করা সম্ভব।

রসুন:

রসুন এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতিদিন এক কোয়া রসুন খেলে তা আমাদের দেহের জন্য অনেক ভালো। রসুন আমাদের দেহে অ্যান্টিবায়টিক হিসেবে কাজ করে। রসুনের একটি প্রাকৃতিক কেমিক্যাল “এলিসিন” আমাদের দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং ত্বকের সমস্যাও দূর করে।

[বিউটি, টিপস], রূপচর্চায়, লবণ!,

লবণের ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য দারুণ কার্যকর। শুষ্ক ও মলিন ত্বক প্রাণবন্ত করে তুলতে লবণের জুরি নেই। সামুদ্রিক লবণ দিয়ে নানাভাবেই রূপচর্চা করার যায়।

ত্বকের প্রদাহ দূর করতে লবণ এবং মধুর মিশ্রণ একটি কার্যকরি প্যাক। দুই টেবিল চামচ লবণের সঙ্গে চার টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে।মিশ্রণটি মুখে ভালো করে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। কিছুটা শুকিয়ে এলে গরম পানিতে একটি পাতলা কাপড় ভিজিয়ে মুখের ওপর ৩০ সেকেন্ড চেপে হালকাভাবে ঘষে বেশি করে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে করে ত্বকের মৃত কোষ উঠে আসবে এবং ত্বক পরিষ্কার হবে। মাথার ত্বকের মৃত কোষ দূর করতেও লবণ ব্যবহার করা যেতে পারে।

তাছাড়া চুলে জমে থাকা অতিরিক্ত তেলও শুষে নিয়ে মাথার চামড়ায় ফাঙ্গাস সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায় লবণ। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে লবণ। বেকিং সোডার সঙ্গে লবণের মিশ্রণ দিয়ে কুলি করলে ভালো মাউথ ওয়াশ হিসেবে কাজ করবে।

[বিউটি, টিপস], জেনে, নিন,, যে, পাঁচটি, খাবার, চুলপড়া, সমস্যার, সমাধান, দেবে, !,

৩০-৪০-৫০-না, প্রতিদিন আর গুণে পারা যাচ্ছে না! যে হারে রোজ চুল উঠছে তাতে মনে হচ্ছে কোনদিন মাথাটাই না এক্কেবারে খালি হয়ে যায়৷কিন্তু বেশি ভেবে কাজ নেই৷ ডায়েটচার্টের একটু নজর দিলেই এড়ানো যায় প্রতিদিন এই চুলপড়ার টেনশনকে৷ মাত্র পাঁচটি খাবার সামিল করুন ডায়েটে আর শীতের মরসুমে আয়ত্তে আনুন সমস্যাকে৷

ডিম- বায়োটিন আর ভিটামিন সি-এ সমৃদ্ধ ডিম, চুলের বিকাশের ক্ষেত্রে যার জুড়ি মেলা ভার৷ আর যদি একান্তই খেতে না চান, তাহলে অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগালেও উপকার পাবেন৷ মাত্র চার চামচ অলিভ অয়েল ডিমের কুসুমের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগালে চুল উজ্জ্বল ও ফুরফুরে হবে৷

পালংশাক- আয়রন আর ফোলেটে ভরপুর পালংশাক চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ভীষণ উপকারি৷ যা চুলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবারহ করে৷ রোজ যদি পালংশাক খেতে ইচ্ছে না করে, তবে কুছ পরোয়া নেহি৷ মাঝেমধ্যে পালং-এর স্যালাড বানিয়ে তো খেতেই পারেন৷

ক্যাপসিকাম- লাল, হলুদ বা সবুজ-রঙ যেরকমই হোকনা কেন ভিটামিনে সি তে ভরপুর ক্যাপসিকাম ডায়েটে রাখলে ধীরে ধীরে চুলের জেল্লা ফিরবে বই কী! শরীরে ভিটামিন সী-এর অভাবে চুল শুধু শুশ্কই হয়ে যায় না, প্রতিদিন প্রচণ্ড পরিমাণে ঝরতে থাকে৷

প্রোটিন- নিরামিষাশীরা চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতে ডায়েটে রাখতে পারেন দানাশস্য৷ ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে চলতে পারে মুসুর ডাল, সোয়াবিন, রাজমা, স্টার্চযুক্ত বিনস৷ আয়রনে ভরপুর এই খাবারগুলি চুলে আবার আগের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনবে৷

গাজর- ভিটামিন আর বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ গাজর যদি প্রতিদিনের ডায়েটে এসময় রাখা যায়, তাহলে শীতের রুক্ষ্ম মরসুমেও আপনার চুল সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে৷

[বিউটি, টিপস], জেনে, নিন,, শীতকালীন, ৫টি, সমস্যার, সহজ, সমাধান, !,

ত্বকে বলিরেখার সমস্যা
শীতকালে যেন বয়সের ছাপ একটু বেশিই পড়ে চেহারায়। ত্বকের বলিরেখার সমস্যাও দেখা দেয় বেশি। জেনে নিন সমাধান।

সারা রাত কিছু কিশমিশ ও কাজু বাদাম আধা কাপ দুধে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন এগুলো বেটে সাথে মধু ও কর্নফ্লাওয়ার মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে শসার রস দিয়ে মুছে নিন।
মসুর ডালবাটা, মধু ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে ত্বকে লাগান।
আমন্ড অয়েল ও দুধের সর মিশিয়ে মুখে মাসাজ করুন। আধা ঘণ্টা পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।

তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের দাগ
তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের সমস্যা তুলনামূলক বেশি হয়। তবে শীতকালে ব্রণের দাগ যেন যেতেই চায় না। রইল ব্রণের দাগ দূর করার উপায়।

ডিমের সাদা অংশ দুই চা চামচ, চন্দনের গুঁড়ো এক চা চামচ ও কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিয়মিত মুখে লাগান। পনেরো মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

ত্বকের শুষ্কতা
আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে শীতকালে ত্বক আর্দ্রতা হারাতে থাকে। ফলাফল, শুষ্ক ত্বক। জেনে নিন শুষ্কতা দূর করার উপায়।

নিয়ম করে দুই বেলা ত্বকে ইনটেনসিভ ময়েশ্চারাইজার লাগান। এছাড়া ডিমের হলুদ অংশ ও আমন্ড অয়েলের মিশ্রিত প্যাক মুখে লাগিয়ে পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

হাত ও পায়ের খসখসে ও অনুজ্জ্বল ত্বক
শীতে হাত ও পায়ের নেওয়া উচিত বিশেষ যত্ন। বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকার কারণে হাত ও পায়ের চামড়া কেমন যেন ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে পড়ে। যত্ন নিন হাত ও পায়ের চামড়ার।

টক দই, তিলের তেল ও চিনির মিশ্রণের স্ক্রাবিং পেস্ট বানান। গোসলের আগে প্রতিদিন হাত ও পা স্ক্রাব করুন। গোসলের পর শুষ্ক ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

পাফাটা
শীতকালের একটি অন্যতম সমস্যা হলো পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া। তাই পায়ের নিন বিশেষ যত্ন।

গরম পানিতে বাথ সল্ট মিশিয়ে ফুট বাথ নিন। পা মুছে উষ্ণ গরম অলিভ অয়েল মাসাজ করুন। এরপর সুতির মোজা পরুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন পেডিকিওর করুন।

[বিউটি, টিপস], জেনে, নিন, ,, ত্বকের, রঙ, ফর্সা, করবে, আলু, !,

প্রাকৃতিক কিছু খাবার খেয়েই বাড়ানো সম্ভব ত্বকের উজ্জ্বলতা। সেই সঙ্গে ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব ও পরিবেশ দূষন থেকেও রক্ষা করা সম্ভব।

ত্বক ফর্সাকারী এমন কয়েকটি প্রাকৃতিক খাবার জেনে নিন।

মিষ্টি আলু:
মিষ্টি আলুতে আছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন এ। ভিটামিন এ ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত মিষ্টি আলু খেলে ত্বকের লালচে ভাব কমে এবং উজ্জ্বল হলুদ আভা বৃদ্ধি পায়। ফলে ত্বক দেখায় উজ্জ্বল ও সতেজ।

বাদাম:
বাদামে আছে ভরপুর ভিটামিন ই, ফাইবার ও প্রোটিন। এই তিনটি উপাদান ত্বককে সজীব ও উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করে এবং ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে রাখে উজ্জ্বল ও প্রানবন্ত। এছাড়াও ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর আলোর প্রভাব থেকে মুক্ত করে বাদাম। ফলে ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।


কমলার রস:
কমলার রসে আছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি। এছাড়াও এতে আছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বককে রক্ষা করে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব ও পরিবেশের নানান ক্ষতিকর উপাদান থেকে। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বকের কোষ গুলোকে সজীব রাখে। ফলে ত্বক দেখায় উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।

সূর্যমূখীর বীজ:
সূর্যমূখীর বীজে আছে প্রচুর ভিটামিন ই। ভিটামিন ই ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত রাখে এবং ত্বকের পুরনো কোষ পরিষ্কার করে নতুন কোষ তৈরি করতে দরুণ কার্যকরি। এছাড়াও প্রকৃতির ক্ষতিকর নানান উপাদান থেকে ত্বককে রক্ষা করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে সূর্যমূখীর

[বিউটি, টিপস], গায়ের, রঙ, ফর্সা, করার, সবচেয়ে, , সহজ, উপায়!,

ঈদের আগে কোথায় চেহারাটা একটু ভালো হবে,
তা না হয়ে হয় উল্টো। ক্রমশ যেন আরও
কালো হতে শুরু করেন আপনি।

তবে এর হাত থেকে বাঁচার সবচেয়ে সহজ উপায়
হচ্ছে প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের রঙ
ফর্সা করে নেয়া। কীভাবে করবেন? আসুন
জেনে নেই-


ঘরোয়া ব্লিচ
ঘরোয়া ব্লিচ করা সবচাইতে সহজ কাজ। আর এই
জন্য কেবল লাগবে টমেটো। চটজলদি রঙ
ফর্সা করতে এই ব্লিচের জুড়ি নেই।

-টমেটোর ভেতর থেকে পাল্প বের করে ভালো মত
চটকে নিন। একটু লেবুর রস
মিশিয়ে পুরো মুখে লাগান।
শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সাবান লাগাবেন না।
দেখবেন চেহারাটা কেমন ঝলমলে হয়ে উঠেছে।

ফ্রুট মাস্ক
বাড়িতে বসে একসঙ্গে ত্বকে পরিষ্কার করতে,
পোড়া ভাব দূর করতে, ক্লান্তি কাটাতে ও
উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে রাখতে ব্যবহার করুন শশা ও
তরমুজের মাস্ক।

কী কী লাগবে-

1.শশার রস ২ টেবিল চামচ
2.তরমুজের রস ২ টেবিল চামচ
3.টক দই ১ চা চামচ

-সবকিছু একসঙ্গে মিশিয়ে পুরো মুখে ভাল
করে লাগান। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে ভাল
করে মুখ ধুয়ে নরম
তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। তরমুজ
ত্বক পরিষ্কার করে। পোড়া ভাব তুলে টোনারের
কাজও করে। ত্বকের কালো ভাব কাটায় শশাও।
ত্বককে নরম ও টানটান রাখে দই।

প্রোটিন ফেসপ্যাক
দই, কলা, ডিম-এই নামগুলো শুধু স্বাস্থ্যের পক্ষেই
উপকারী নয়, ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও এদের
কেরামতি কিছু কম নয়। এই প্যাক পার্লারের
ফেসিয়ালের উজ্জ্বলতা এনে দেয় ত্বকে।

কী কী লাগবে-

1.অর্ধেক কলা
2.১টি ডিমের সাদা অংশ
3.দই ১ টেবিল চামচ

-কলা ভাল করে চটকে নিয়ে ডিমের সাদা অংশ
ও দইয়ের সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। পুরো মুখে ভাল
করে সমান ভাবে লাগান। ১৫ মিনিট পর
ঠান্ডা জলে মুখে ধুয়ে পরিষ্কার
তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন।

[বিউটি, টিপস], জেনে, নিন, ,, ঠোঁটের, রঙ, গোলাপি, করে, তোলার, ৫টি, ঘরোয়া, উপায়,

সুন্দর গোলাপি ঠোঁট সবাই-ই চান। বলাই বাহুল্য যে মিষ্টি গোলাপি ঠোঁটের আকর্ষণ অনেক বেশি সৌন্দর্যের বিচারে। কিন্তু প্রতিদিন লিপস্টিক ব্যবহারের ফলে ঠোঁট ধীরে ধীরে কালো হতে থাকে এবং সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মিও আমাদের ঠোঁট কালো করতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া নানান রকমের অসুখ, ধূমপান, বাজে প্রসাধনীর ব্যবহার তো আছেই। চলুন, আজ জেনে নেয়া যাক প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার ঠোঁট গোলাপি করে তোলার ৫টি টিপস।

কাঁচা দুধ প্রতিদিন:

প্রতিদিন ঠোঁটে কাঁচা দুধ লাগান। ২০ মিনিট রাখুন, তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে নিন। অথবা ঠাণ্ডা গোলাপ জল দিয়েও ঠোঁট ধুতে পারেন। সেটা অনেক বেশী কাজে দেবে।

মধু:

প্রাকৃতিক ভাবে ঠোঁটের যত্ন নিতে সবচেয়ে ভালো উপাদান হল মধু। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সামান্য মধু নিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। প্রতিদিনের ব্যবহারে মধু আপনার ঠোঁটকে নরম রাখবে ও উজ্জ্বল করে তুলবে।

হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ:

হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ একসাথে মিলিয়ে আপনার ঠোঁটে ৫ মিনিট ম্যাসেজ করুন। এইভাবে প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে আপনার প্রাকৃতিক ভাবে গোলাপি হয়ে উঠবে।

আলমণ্ড অয়েল ও লেবুর রস:

এক চামচ আলমণ্ড অয়েলর সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। তারপর ৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনার ঠোঁট নরম ও পরিষ্কার হবে।

লেবুর রস ও চিনি:

লেবুর রসের সাথে খুব সামান্য পরিমানে চিনি মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ধীরে ধীরে ম্যাসেজ করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি ঠোঁটের মরা কোষ পরিষ্কার করতে সহায়তা করে, ঠোঁট নরম রাখে ও গোলাপি করে তোলে। কিন্তু যেহেতু আপনি ঠোঁটে লেবুর রসের ব্যবহার করবেন তাই ঠোঁট ধুয়ে ফেলার পর শুকিয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার যুক্ত লিপবাম লাগিয়ে নিন।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.