[বিউটি, টিপস], জেনে, নিন, ,, ফর্সা,, মসৃণ, ও, দ্যুতিময়, ত্বকের, জন্যে, ১০টি, ঘরোয়া, উপায,

আজ আমরা আপনাদের জানাব কিভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে আপনি আপনার ত্বক উজ্জ্বল রাখতে পারবেন।

★1.বেসন, লেবুর রস ও কাঠবাদাম একসাথে পেস্ট করে ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ফেলুন। বেসন ও লেবুর রস মুখের মৃত কোষ, কালোদাগ দুর করতে সহায়তা করে। কাজু বাদাম ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।

★2.কলা ও দুধ একত্রে পেস্ট করে মুখে ও ঘাড়ে ১৫ মিনিট রেখেদিন। তারপরে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বক মসৃন করতে কলার কোন জুড়ি নেই।

★3.মধুর ঔষধি গুনের কথা কে না জানে। ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃন করতেও মধু খুব কার্যকর। দই, মধু ও লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে২০ মিনিট ধরে মুখে লাগিয়ে রাখুন। এতকিছু হাতের কাছে না থাকলে শুধু মধুই ২০ মিনিট মুখেলাগিয়ে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত করলে কিছুদিন পরেই দেখতে পাবেন আপনার ত্বক আগের থেকে অনেক বেশী উজ্জ্বল হয়ে গেছে।

★4.আলু বা টমেটো শুধু ভাল সবজীই নয় বরং এক একটা রং ফসর্াকারী এজেন্ট। আলু এবং টমেটো পেস্ট প্রতিদিন ব্যবহার করলে আপনি পাবেন দ্যুতিময় ত্বক।

★5.মসুরের ডাল, দুধ লেবুর রস এবং চালের গুড়া একসাথে পেস্ট করলেই হয়ে যাবে সুন্দর ও কার্যকরী স্ক্রাব। সপ্তাহে তিন দিন ব্যাবহার করুন। আপনার ত্বক হবে আরো পরিষ্কার।

★6.ডিমের সাদা অংশ ও মধু একসাথে মিশিয়ে ২০ মিনিট মুখে মেখে রাখুন। তার পরে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক উজ্জ্বল ও টান টান ভাব আনতে সাহায্য করবে এই ফরমুলা।

★7.এক চামচ চিনির সাথে দুই চামচ লেবুর রস মিশিয়ে আলতো ভাবে মুখে ডলতে থাকুন যতক্ষন পর্যন্ত চিনি পুরোপুরি গলে না যায়। এমনকি পুরো শরীরেও লাগাতে পারেন।

★8.শিশুদের মত কোমল ও মসৃন ত্বক পেতে দুই চামচ চিনির মধ্যে তিনচামচ বেবী ওয়েল দিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে নিয়মিত ব্যবহার করুন।

★9.মুখে ব্রনের দাগ থাকলে কর্ণফ্লাওয়ার এবং শসার মিশ্রন তৈরী করে প্রতিদিন মাখতে থাকুন। দ্রুত ভাল ফল পাবেন।

★10.পানি, সবুজ সবজী, ফলের রস, মাছ, ডিম রক্ত পরিষ্কার করে থাকে তাই এইগুলো পর্যাপ্ত পরিমানে খেতে হবে।গুরুত্বপুর্ণ তথ্যঃ দিনের বেলায় বাইরে যাবার আগে সানস্ক্রীন (SPF-30) না লাগালে উপরে বর্নিত সবগুলো উপায়ই ব্যর্থ হতে পারে। এমনকি বাসায় ও সানস্ক্রীন (SPF-15) ব্যবহার করতে হবে বিশেষ করে যারা রান্নবান্না করে থাকেন।

[বিউটি, টিপস], জেনে, নিন, ,, ৭টি, অসাধারণ, খাবার, দূর, করবে, ব্রণের, সমস্যা,

ব্রন আমাদের সবারই খুব পরিচিত সমস্যা। আমরা কমবেশি অনেকেই এই অতিপরিচিত ব্রন সমস্যায় ভুগে থাকি। চিকিৎসা, রূপচর্চা কতকিছুই না মানুষ করে ত্বকের এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য। কিন্তু তারপরেও দেখা যায় অনেকেরই এই সমস্যা একেবারে চলে যায়না। ত্বকের এই ব্রন সমস্যার জন্য সঠিক রূপচর্চার পাশাপাশি আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য অভ্যাসেও পরিবর্তন আনা উচিত। এমন কিছু কিছু খাবার আছে যা নিয়মিত আপনার খাদ্য তালিকায় রাখলে এবং পাশাপাশি ত্বকের সঠিক যত্ন নিলে ব্রন সমস্যা হতে রেহাই পাওয়া যেতে পারে।

সবুজ শাকসবজি:

পাতা কপি, সবুজ যেকোন শাক ইত্তাদি সব ধরনের শাকসবজিতে থাকে ম্যাঙ্গানিজ। এই সকল ধরনের সবজির বিভিন্ন গুনাগুন আমাদের ত্বক পরিষ্কার রাখে এবং ত্বকের যে কোন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। সবুজ শাকসবজিতে থাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-এ, যা আমাদের ত্বকের জন্য খুব ভালো এবং এই ভিটামিন ত্বকের ব্রণের উপদ্রব কমায় ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যাও দূর করতে সাহায্য করে থাকে।

মাছ:

আমাদের দেহে মাছের উপকারিতা সম্পর্কে সবারই জানা আছে। মাছে আছে প্রচুর পরিমানে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা আমাদের ত্বকের জন্য খুবই ভালো। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আমাদের ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখে, ত্বকের চামড়ার ইলাস্টেন রক্ষা করে, ত্বকের সমস্যা দূর করে ও উজ্জলতা বৃদ্ধি করে।

মাশরুম:

মাশরুমে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-বি যা আমাদের ত্বকের নষ্ট হয়ে যাওয়া টিস্যু ঠিক করে ও রক্ষনাবেক্ষন করে। মাশ্রুমের ভিটামিন-বি উপদান আমাদের ত্বকের ব্রন ও ব্লেমিশেস সমস্যা রোধ করে থাকে।

চকলেট:

অনেকেই মনে করে থাকেন বেশি বেশি চকলেট খাওয়ার কারনে ত্বকে ব্রনের সমস্যা হয়ে থাকে কিন্তু এই ধারনাটি সম্পূর্ণ ভুল কারন যাদের ত্বকে ব্রনের সমস্যা আছে চকলেট তাদের ত্বকে অসাধারন ভাবে কাজ করে। চকলেটের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্লেভানয়েডস আমাদের ত্বক মসৃণ করে, ত্বকের চামড়ায় টান টান ভাব আনে ও ভিতর থেকে সুস্থ ভাবে ত্বক গঠনে সাহায্য করে থাকে।

আম:

ভিটামিন-এ তে ভরপুর আম দারুন সুস্বাদু একটি ফল এবং এই ফল আমাদের ত্বকের জন্যও খুব উপকারি। আমের ভিটামিন আমাদের ত্বক মসৃণ করে ও ত্বকের সুস্থ গঠনে সাহায্য করে। তাছাড়া আমের ভিটামিন আমাদের ত্বকের বলিরেখা, ব্রন, লিভার সমস্যা ও স্কিন ক্যানসার রোধ করে।

কাজুবাদাম:

ভিটামিন-ই তে ভরপুর কাজু বাদাম আমাদের ত্বকের জন্য অনেক ভালো এবং এই বাদাম আমাদের ত্বকের সুস্থতায় অনেক সাহায্য করে ও ত্বক মশ্চারাইজ রাখে। তাছাড়া ত্বকের নানা রকমের সমস্যা দূর করতে কাজুবাদাম এর উপকারিতা অনেক। কাজুবাদাম আমাদের ত্বককে UV রশ্মি থেকে রক্ষা করে এবং আপনি যদি অনেক লম্বা সময় ধরে এই বাদাম প্রতিদিন খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন তাহলে ত্বকে ব্রনের সমস্যা রোধ করা সম্ভব।

রসুন:

রসুন এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতিদিন এক কোয়া রসুন খেলে তা আমাদের দেহের জন্য অনেক ভালো। রসুন আমাদের দেহে অ্যান্টিবায়টিক হিসেবে কাজ করে। রসুনের একটি প্রাকৃতিক কেমিক্যাল “এলিসিন” আমাদের দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং ত্বকের সমস্যাও দূর করে।

[বিউটি, টিপস], রূপচর্চায়, লবণ!,

লবণের ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য দারুণ কার্যকর। শুষ্ক ও মলিন ত্বক প্রাণবন্ত করে তুলতে লবণের জুরি নেই। সামুদ্রিক লবণ দিয়ে নানাভাবেই রূপচর্চা করার যায়।

ত্বকের প্রদাহ দূর করতে লবণ এবং মধুর মিশ্রণ একটি কার্যকরি প্যাক। দুই টেবিল চামচ লবণের সঙ্গে চার টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে।মিশ্রণটি মুখে ভালো করে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। কিছুটা শুকিয়ে এলে গরম পানিতে একটি পাতলা কাপড় ভিজিয়ে মুখের ওপর ৩০ সেকেন্ড চেপে হালকাভাবে ঘষে বেশি করে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে করে ত্বকের মৃত কোষ উঠে আসবে এবং ত্বক পরিষ্কার হবে। মাথার ত্বকের মৃত কোষ দূর করতেও লবণ ব্যবহার করা যেতে পারে।

তাছাড়া চুলে জমে থাকা অতিরিক্ত তেলও শুষে নিয়ে মাথার চামড়ায় ফাঙ্গাস সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায় লবণ। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে লবণ। বেকিং সোডার সঙ্গে লবণের মিশ্রণ দিয়ে কুলি করলে ভালো মাউথ ওয়াশ হিসেবে কাজ করবে।

[বিউটি, টিপস], জেনে, নিন,, যে, পাঁচটি, খাবার, চুলপড়া, সমস্যার, সমাধান, দেবে, !,

৩০-৪০-৫০-না, প্রতিদিন আর গুণে পারা যাচ্ছে না! যে হারে রোজ চুল উঠছে তাতে মনে হচ্ছে কোনদিন মাথাটাই না এক্কেবারে খালি হয়ে যায়৷কিন্তু বেশি ভেবে কাজ নেই৷ ডায়েটচার্টের একটু নজর দিলেই এড়ানো যায় প্রতিদিন এই চুলপড়ার টেনশনকে৷ মাত্র পাঁচটি খাবার সামিল করুন ডায়েটে আর শীতের মরসুমে আয়ত্তে আনুন সমস্যাকে৷

ডিম- বায়োটিন আর ভিটামিন সি-এ সমৃদ্ধ ডিম, চুলের বিকাশের ক্ষেত্রে যার জুড়ি মেলা ভার৷ আর যদি একান্তই খেতে না চান, তাহলে অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগালেও উপকার পাবেন৷ মাত্র চার চামচ অলিভ অয়েল ডিমের কুসুমের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগালে চুল উজ্জ্বল ও ফুরফুরে হবে৷

পালংশাক- আয়রন আর ফোলেটে ভরপুর পালংশাক চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ভীষণ উপকারি৷ যা চুলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবারহ করে৷ রোজ যদি পালংশাক খেতে ইচ্ছে না করে, তবে কুছ পরোয়া নেহি৷ মাঝেমধ্যে পালং-এর স্যালাড বানিয়ে তো খেতেই পারেন৷

ক্যাপসিকাম- লাল, হলুদ বা সবুজ-রঙ যেরকমই হোকনা কেন ভিটামিনে সি তে ভরপুর ক্যাপসিকাম ডায়েটে রাখলে ধীরে ধীরে চুলের জেল্লা ফিরবে বই কী! শরীরে ভিটামিন সী-এর অভাবে চুল শুধু শুশ্কই হয়ে যায় না, প্রতিদিন প্রচণ্ড পরিমাণে ঝরতে থাকে৷

প্রোটিন- নিরামিষাশীরা চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতে ডায়েটে রাখতে পারেন দানাশস্য৷ ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে চলতে পারে মুসুর ডাল, সোয়াবিন, রাজমা, স্টার্চযুক্ত বিনস৷ আয়রনে ভরপুর এই খাবারগুলি চুলে আবার আগের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনবে৷

গাজর- ভিটামিন আর বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ গাজর যদি প্রতিদিনের ডায়েটে এসময় রাখা যায়, তাহলে শীতের রুক্ষ্ম মরসুমেও আপনার চুল সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে৷
Blogger দ্বারা পরিচালিত.