[বিউটি, টিপস], জেনে, নিন,, যে, পাঁচটি, খাবার, চুলপড়া, সমস্যার, সমাধান, দেবে, !,

৩০-৪০-৫০-না, প্রতিদিন আর গুণে পারা যাচ্ছে না! যে হারে রোজ চুল উঠছে তাতে মনে হচ্ছে কোনদিন মাথাটাই না এক্কেবারে খালি হয়ে যায়৷কিন্তু বেশি ভেবে কাজ নেই৷ ডায়েটচার্টের একটু নজর দিলেই এড়ানো যায় প্রতিদিন এই চুলপড়ার টেনশনকে৷ মাত্র পাঁচটি খাবার সামিল করুন ডায়েটে আর শীতের মরসুমে আয়ত্তে আনুন সমস্যাকে৷

ডিম- বায়োটিন আর ভিটামিন সি-এ সমৃদ্ধ ডিম, চুলের বিকাশের ক্ষেত্রে যার জুড়ি মেলা ভার৷ আর যদি একান্তই খেতে না চান, তাহলে অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগালেও উপকার পাবেন৷ মাত্র চার চামচ অলিভ অয়েল ডিমের কুসুমের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগালে চুল উজ্জ্বল ও ফুরফুরে হবে৷

পালংশাক- আয়রন আর ফোলেটে ভরপুর পালংশাক চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ভীষণ উপকারি৷ যা চুলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবারহ করে৷ রোজ যদি পালংশাক খেতে ইচ্ছে না করে, তবে কুছ পরোয়া নেহি৷ মাঝেমধ্যে পালং-এর স্যালাড বানিয়ে তো খেতেই পারেন৷

ক্যাপসিকাম- লাল, হলুদ বা সবুজ-রঙ যেরকমই হোকনা কেন ভিটামিনে সি তে ভরপুর ক্যাপসিকাম ডায়েটে রাখলে ধীরে ধীরে চুলের জেল্লা ফিরবে বই কী! শরীরে ভিটামিন সী-এর অভাবে চুল শুধু শুশ্কই হয়ে যায় না, প্রতিদিন প্রচণ্ড পরিমাণে ঝরতে থাকে৷

প্রোটিন- নিরামিষাশীরা চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতে ডায়েটে রাখতে পারেন দানাশস্য৷ ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে চলতে পারে মুসুর ডাল, সোয়াবিন, রাজমা, স্টার্চযুক্ত বিনস৷ আয়রনে ভরপুর এই খাবারগুলি চুলে আবার আগের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনবে৷

গাজর- ভিটামিন আর বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ গাজর যদি প্রতিদিনের ডায়েটে এসময় রাখা যায়, তাহলে শীতের রুক্ষ্ম মরসুমেও আপনার চুল সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে৷

[বিউটি, টিপস], জেনে, নিন,, শীতকালীন, ৫টি, সমস্যার, সহজ, সমাধান, !,

ত্বকে বলিরেখার সমস্যা
শীতকালে যেন বয়সের ছাপ একটু বেশিই পড়ে চেহারায়। ত্বকের বলিরেখার সমস্যাও দেখা দেয় বেশি। জেনে নিন সমাধান।

সারা রাত কিছু কিশমিশ ও কাজু বাদাম আধা কাপ দুধে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন এগুলো বেটে সাথে মধু ও কর্নফ্লাওয়ার মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে শসার রস দিয়ে মুছে নিন।
মসুর ডালবাটা, মধু ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে ত্বকে লাগান।
আমন্ড অয়েল ও দুধের সর মিশিয়ে মুখে মাসাজ করুন। আধা ঘণ্টা পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।

তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের দাগ
তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের সমস্যা তুলনামূলক বেশি হয়। তবে শীতকালে ব্রণের দাগ যেন যেতেই চায় না। রইল ব্রণের দাগ দূর করার উপায়।

ডিমের সাদা অংশ দুই চা চামচ, চন্দনের গুঁড়ো এক চা চামচ ও কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিয়মিত মুখে লাগান। পনেরো মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

ত্বকের শুষ্কতা
আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে শীতকালে ত্বক আর্দ্রতা হারাতে থাকে। ফলাফল, শুষ্ক ত্বক। জেনে নিন শুষ্কতা দূর করার উপায়।

নিয়ম করে দুই বেলা ত্বকে ইনটেনসিভ ময়েশ্চারাইজার লাগান। এছাড়া ডিমের হলুদ অংশ ও আমন্ড অয়েলের মিশ্রিত প্যাক মুখে লাগিয়ে পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

হাত ও পায়ের খসখসে ও অনুজ্জ্বল ত্বক
শীতে হাত ও পায়ের নেওয়া উচিত বিশেষ যত্ন। বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকার কারণে হাত ও পায়ের চামড়া কেমন যেন ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে পড়ে। যত্ন নিন হাত ও পায়ের চামড়ার।

টক দই, তিলের তেল ও চিনির মিশ্রণের স্ক্রাবিং পেস্ট বানান। গোসলের আগে প্রতিদিন হাত ও পা স্ক্রাব করুন। গোসলের পর শুষ্ক ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

পাফাটা
শীতকালের একটি অন্যতম সমস্যা হলো পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া। তাই পায়ের নিন বিশেষ যত্ন।

গরম পানিতে বাথ সল্ট মিশিয়ে ফুট বাথ নিন। পা মুছে উষ্ণ গরম অলিভ অয়েল মাসাজ করুন। এরপর সুতির মোজা পরুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন পেডিকিওর করুন।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.