অনেকেই বলেন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। আবার অনেকে এও বলেন, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা মোটেও হাতিঘোড়া কোনও কাজ নয়। সাধারণ কয়েকটি জিনিস মাথায় রাখলে প্রেমিকা-প্রেমিকারা বিশ্বাস করতে পারেন একে অপরকে। এই প্রতিবেদনে দেওয়া হল এমন কয়েকটি ভুল, যা নষ্ট করতে পারে একটি মজবুত সম্পর্ককেও। ভুলগুলি পড়ুন ও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন-

অভিভাবক হবেন না: দয়া করে নিজের প্রেমিকাকে নিজের সম্পত্তি ভাববেন না। তাঁকেও ঘুরতে যেতে দিন বন্ধুদের সঙ্গে। সন্দেহ করবেন না অকারণে।

কাজ কাজ করবেন না: দিনভর অফিস-চাকরি-ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকার পর একটু সময় রাখুন নিজের আপনজনের জন্য। জানেন তো,অধিকাংশ সম্পর্কই ভেঙে যায় একে অপরকে সময় দিতে না পারার অজুহাতে।

বিয়েতে তাড়াহুড়ো নয়: প্রেমিকা আপনারই। আপনাকে ভালবাসলে অন্য কারুর সঙ্গে পালিয়ে যাবে না। তাই বিয়ের জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না। অনেক পুরুষই চান, কোনও মহিলাকে তাড়াতাড়ি বিয়ে করে বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে। এটা কোনও উপায় হতে পারে না মশাই।

ছোটখাটো ঝগড়া এড়িয়ে চলুন: এটাকে বলে গোল্ডেন ওয়ার্ডস অফ রিলেশনশিপ। ঝগড়া এড়িয়ে চলুন। একে অপরকে ছুঁয়ে থাকুন। মনে থাক শুধুই ভাল লাগার আমেজ।

বিশ্বাস করতে শিখুন: একটি সুস্থ-স্বাভাবিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে কিন্তু বিশ্বাস করতের শিখতেই হবে একে অপরকে।

দোষ চাপাবেন না: আপনার কাজের চাপ, আপনার বন্ধুর বিশ্বাসঘাতকতা-সব কিছুর দোষ আপনার প্রেমিকার উপর চাপাবেন না।
মানুষের মন দুর্বোধ্য। সচরাচর এমন অনেক বিভ্রম হয় যেগুলো বাস্তবিক মনে হয়। আসলে এর অনেক কিছুই ভুল। আপনার মন আপনাকে মিথ্যা বলছে। নিজের সম্পর্কে এই মিথ্যা গুলো বিশ্বাস করার কারণে আপনি আপনার ক্ষমতাকে ছোট করছেন।

অনেক দুর্বলতা, অনেক খারাপ লাগা নিয়ে আপনি প্রাত্যাহিক জীবন যাপন করছেন। একবার থামুন। নিজেকে পর্যবেক্ষন করুন। আপনার নিজের ব্যাপারে নিজের ধারণা কি আসলেই ঠিক? আপনাকে সহায়তা করার জন্য মনের ১০টি মিথ্যা ধারণা সম্পর্কে জানাচ্ছি। জানুন আর ভাবুন। এগুলোর কোনটি আপনাকে পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

“আমিই অনুভূতি, আমিই আমার চিন্তা”
আপনি একটি শক্তিশালী আবেগ দ্বারা বেষ্টিত হয়ে গেলে এটা আপনার নিজ সত্তা মনে হতে পারে। ভাববেন, আমি এমনি। কিন্তু আদতে এটা ঠিক নয়। যদি অনুভূতি, চিন্তা গুলো আপনার সত্ত্বা হয় তবে এগুলো চলে যাওয়ার সাথে সাথে আপনার আস্তিত্ত্ব বিলীন হওয়ার কথা। নিশ্চয়ই তা হয় না?
অনুভূতি আর চিন্তা হল অনেকটা আবহাওয়ার মত। কখনো ভাল, কখনো খারাপ। এগুলো আপনার সত্ত্বা নয়।

“ঝুঁকি নেওয়া যাবে না”
স্বাভাবিক ভাবে মানুষ নিরাপত্তা চায়। আপনি নিরাপদ থাকতে গিয়ে অনেক কিছুই হারাবেন। কোন কিছুতে ঝুঁকি থাকলে তা করা উচিত নয়, এটা ঠিক না। আমরা পরিবর্তনশীল দুনিয়ায় বাস করি। আপনি যতই ঝুঁকি এড়াতে চান না কেন, এর নিশ্চয়তা নেই। আপনাকে নিরাপত্তা অর্জন করে নিতে হবে। অথবা ঝুঁকি নিতে হবে। এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন যা আপনাকে সবার উপরে রাখবে।

“বস্তুগত পাওয়াই প্রকৃত সুখ”
আপনি হয়তো ভাববেন আপনার কিছুই নেই। তাই সুখি হতে পারছেন না। কিন্তু জেনে রাখুন এভাবে চিন্তা করার কারণেই আপনি সুখি হতে পারছেন না। সুখ কী কিনে নেওয়া যায়। যদি যায় তবে তার দাম কত?সুখের উপাদান গুলো সবসময় বিনামূল্য। ভালোবাসা, হাসি, উদারতা, কৃতজ্ঞতা, সমবেদনা এই সবই সুখের উপাদান। এগুলোর জন্য বস্তুগত সম্পদ নয়, শুধু মন লাগবে।

“সবার চেয়ে আমি ছোট”
আপনি হয়তো নিজেকে মোটা, অগোছালো, বেটে বা নির্বোধ ভাবেন। সবসময় অন্যের সাথে নিজেকে তুলনা করেন। ভাবেন, ওরা আপনার চাইতে কতটাই না এগিয়ে।
একটা কথা ভাবুন, এই জগতে আপনি একমাত্র। আপনার মত আরেক জন নেই। ভাল খারাপ মিলিয়ে মানুষ। আপনার হয়তো এমন কিছু আছে যা জগতের আর কারো মাঝে নেই। তাই অন্যের সাথে নিজেকে তুলনা করতে যাবেন না। এটি আপনাকে অনেক বেশি পিছিয়ে দিবে। মনে রাখবে, আপনি আপনার রাজ্যের রাজা।

“আমার দোষ নেই, আমি দুর্ভাগ্যের শিকার”
নিজেকে সবসময় দুর্ভাগ্যের শিকার ভাবা বন্ধ করুন। বাস্তবিক ভাবে অন্য কেউ কি আপনার ভিতরের অনুভূতির জন্য দায়ী? নিজের দোষ বুঝতে শিখুন। দোষ স্বীকার করে নিলে নিজের কাছে নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে। ভুল বুঝে সমাধান করতে প্রত্যয়ী হবেন। কখনই দুর্বলতা নয়, এটা আপনার মনোবল বাড়াবে।

“আমার কোন বন্ধুর প্রয়োজন নেই”
হয়তো আপনি বন্ধুর কৃতকাজে অখুশি। হয়তো ভাবছেন বন্ধু ছাড়াই চলা যায়, বন্ধু থাকা মানে সময় নষ্ট। আসলে এটা ঠিক নয়। যখন একাকীত্ব বোধ করবেন, খুব চাপ অনুভব করবেন, দুঃখ আর কষ্টে ডুবে যাবেন তখন একমাত্র ভাল বন্ধুই পারে আপনাকে সাহায্য করতে। এমনকি আনন্দ প্রকাশ করতেও বন্ধু লাগবে। আপনি একা একা আনন্দ প্রকাশ করতে গেলে লোকে পাগল ভাববে।অনুভূতি প্রকাশ করতে হয়। হতে পারে বন্ধুর কাছে, হতে পারে প্রেমিকার কাছে। হতে পারে কেউ কোন সাহায্য করতে পারল না। কিন্তু মনে রাখবেন, কারো কাছে অনুভূতি প্রকাশ করে আপনি নিজেই নিজের বড় উপকার করলেন।

“আগে পারিনি, ভবিষ্যতে কিভাবে পারবো?”
আপনার অতীত হয়তো অনেক দুঃখ, কষ্ট আর ব্যর্থতার সাক্ষী। তাই বলে অতীত আগলে পড়ে থাকলে চলবে না। মানুষ মাত্রই ভুল করে। তারপর ভুল থেকে শিক্ষা নেয়। আপনার করা ভুল গুলো নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন? ওগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করুন। আপনার ভুল হয়েছে, তার থেকে শিক্ষাও নিয়েছেন। কিন্তু আপনি তো ভুল নন। তাই না?

“আমি খুব একা”
আপনি যখন একাকীত্ব বোধ করেন, দুঃখ বা আঘাত প্রাপ্ত হন, তখন ভাবেন আপনি একা। এই দুনিয়ায় আপনার কেউ নেই। জেনে রাখুন, দুনিয়ার সবাই কোননা কোন সময় এই অনুভূতির মাঝ দিয়ে যায়। তাই বলে দুনিয়ার কারোরই কেউ নেই তা কি ঠিক? এটা সাধারণ একটা অনুভূতি, পাত্তা দেবেন না।

“আমাকে উৎকৃষ্ট হতে হবে”
এই ধরনের আকাঙ্ক্ষা আপনার মানসিক চাপ, হতাশা, শোষিত বোধ হওয়া, অপরাধবোধ সহ অনেক ধরনের অনুভূতির কারণ হবে। আপনি শুধু খারাপ ভালোর মাঝে একটি ভারসাম্য রাখুন। আপনার মন উৎকৃষ্ট মানেই আপনি উৎকৃষ্ট। এটা কেউ বুঝল কি বুঝল না তা ব্যাপার না।

“আমাকে সবকিছু নিয়ে চিন্তিত হতে হবে”
দুশ্চিন্তা সব সুখানুভূতির খাদক। যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনায় আপনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। এই অবস্থায় সমধান তো করতে পারবেনই না বরঞ্চ আর অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে। তাই দুশ্চিন্তা না করে নিজেকে বলুন, “হলে কি হয়?”। দেখবেন, আপনার জন্য অন্য রকম এক জগত খুলে গেছে।

আপনার মনের এই সব প্রতারণা আপনাকে পিছিয়ে দিচ্ছে। নিজেকে অনুভব করুন। নিজের সাথে নিজের এই ছলনা বন্ধ করুন। তবেই এই জীবনটা উপভোগ করতে পারবেন।
একজন রুচিশীল মানুষের ঘর সবসময় পরিপাটি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এটাও ঠিক, সবসময় সব রুম গুছিয়ে রাখা সম্ভব হয় না। কর্মব্যস্ততার জীবনে তো আরও দুষ্কর। অথচ ঘরে জমে থাকা ধুলা ময়লা হতে পারে আপনার অ্যালার্জির কারণ। তাই সামান্য সতর্কতায় পারে কষ্টকে দূরে রাখতে।
- বাসায় না থাকলে দরজা- জানালা খোলা না রাখাই ভালো। এতে ঘরের মেঝে বা আসবাব পত্রেও ময়লার স্তর পড়া থেকে রক্ষা পাবেন। জানালা খোলা রাখলেও অবশ্যই পর্দা ব্যবহার করতে হবে। সেক্ষেত্রে মোটা পর্দা ব্যবহার করলে বাতাসে উড়ে যাবে না।

- ঘরের মেঝেতে ব্যবহৃত কার্পেটেও ময়লা জমে। নিয়মিত পরিস্কার না করলে ময়লা জমে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। তাই কার্পেট পরিস্কারের জন্যে ব্রাশ ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্রাশ দিয়ে কার্পেট পরিস্কার করলে ধুলো ময়লা জমার সুযোগ পাবে না।

- আসবাব পত্রে ধুলোবালি জমে থাকলে, সেগুলো অনেকেই ভেজা কাপড় দিয়ে পরিস্কার করে থাকেন। এটা একদমই ঠিক নয়। কারণ ভেজা কাপড় দিয়ে আসবাবপত্র পরিস্কার করলে তার রং নষ্ট হয়ে যায় সহজেই। এজন্যে ডাস্টিং ব্রাশ ব্যবহার করা ভালো।

- শোপিস কিংবা কাঁচের অন্যান্য জিনিসপত্র মোছার জন্যে বাজারে বিভিন্ন প্রকার ক্লিনার পাওয়া যায়। এগুলো দিয়ে মুছে নিলে শোপিস অনেক দিন ধরে পরিস্কার থাকে।

- ঘর সাজানোর জন্য কৃত্রিম ফুল বা ফুলের গাছ রাখা হয়। এতে জমে থাকা ধুলো ময়লা প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন পরিস্কার করতে হবে। এজন্য শ্যাম্পু বা ডিটারজেন্ট পানিতে মিশিয়ে এগুলো ধুতে পারেন। এরপর পানি ঝরিয়ে আবার ব্যবহার করতে পারবেন।

- টেলিভিশনের স্ক্রিন, কম্পিউটার, রেফ্রিজারেটর, প্রিন্টার বা বইয়ের আলমারি সবসময় শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে। তবে সাবধানতার সঙ্গে ডিটারজেন্টে গোলানো পানি ব্যবহার করতে পারেন।
আপনি কি জানেন আপনার সঙ্গীনি ঠিক কখন সবচেয়ে আবেদনময়ী হয়ে ওঠেন? অনেকেই ভাবছেন ২০ বছরের দোরগোড়ায়৷ কিন্তু একথা একেবারেই ঠিক নয়৷ সঙ্গীনি ২৬টি বসন্ত পেরোলেই ভাববেন তিনি সবচেয়ে আবেদনময়ী হয়ে উঠেছেন৷ সান ফ্রান্সিসকোতে হওয়া এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে মহিলাদের যৌন উত্তেজনা চরমে পৌঁছয় ২৬ বছর বয়সে৷ যদিও পুরুষদের যৌনতা চরমে পৌঁছায় ৩২ বছরের পর৷

এই সমীক্ষায় প্রায় এক হাজার জন প্রাপ্ত বয়স্কদের মতামত নেওয়া হয়৷ এই সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, সান ফ্রান্সিসকোর মহিলারা তাদের জীবনে ২৪ বছর বয়সেই সবচেয়ে বেশি যৌনতা উপভোগ করেন৷ সেক্ষেত্রে পুরুষরা যৌনতার আস্বাদ গ্রহণ করেন ২৭ বছরের পরবর্তি সময়ে৷ এই সমীক্ষায় আরও দেখা গিয়েছে যে অধিকাংশ মহিলাই যৌনতার প্রথম স্বাদ গ্রহণ করেছেন ১৮ বছরের পর৷

কিন্তু সক্ষেত্রে আবার পুরুষরা ১৭ বছরের গোড়ার দিকেই প্রথম যৌনতা উপভোগ করেছেন৷ দেখা গিয়েছে, পুরুষদের প্রথম যৌন অনুভূতি উপভোগ করার পর প্রায় ১৫ বছর পরে তারা যৌনতাকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন৷ কিন্তু সেক্ষেত্রে মহিলারা প্রথম যৌনতার আস্বাদ নেওয়ার ১০ বছর পরেই যৌনতাকে চূড়ান্ত ভাবে উপভোগ করতে পারেন৷
দর্শণধারী চটপটে কোনো পুরুষের সঙ্গ পেলে নিজেকে সপে দিতে দেরি করে না অধিকাংশ নারীই। তখন তাদের আগে পিছের কোনো কথায় ভাবার সময় থাকে না। কিন্তু অন্ধ বিশ্বাসের আড়ালে আপনার মনের মানুষের মধ্যে কোনো অসৎ ব্যক্তিত্ব লুকিয়ে নেই তো? এমন অস্থায়ী সম্পর্কে জড়ানোর আগে সঙ্গীকে অবশ্যই যাচাই করে নিন কয়েকটি সহজ উপায়ে-

বাবা-মায়ের অবাধ্য সন্তান
নিজের বাবা-মাকে পছন্দ করেন সব সন্তানই। কিন্তু আমাদের সমাজে এমন অনেক ছেলে আছে যারা বাবা- মায়ের সম্পূর্ণ অবাধ্য চলাফেরা করে। নিজের বাবা-মা সম্পর্কে অশালীন কথা বলে। এমন কি তাদের নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী নন। এমন পুরুষ আপনাকে সঠিক সম্মান দিতেও নিশ্চয় সঙ্কোচবোধ করবে। তাই এমন পুরুষ থেকে সাবধান।

সহজেই আকর্ষণ করে
এমন কিছু ছেলে আছে যারা চোখের পলকে আপনাকে কথার জালে ভুলিয়ে দিতে পারেন। আবেগীয় কথায় আপনাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কাজ করাতে চাইতে পারে। স্বল্প পরিচয়ে আপনি হয়তো তার সঙ্গে ঘুরতে যেতে চাচ্ছেন না, কিন্তু তার অযথা পিড়াপিড়ি। এমন ছেলে থেকে সাবধান। তাদের পারদর্শীতা প্রকাশ পায় শরীর বিনিময়ে, কিন্তু কমিটমেন্টে কোনো আগ্রহ থাকে না। এমন পুরুষদের থেকে সাবধান।

রহস্যময় আচরণ
প্রেমে পড়ার সময় তার বুদ্ধিদীপ্ত রহস্যময় চরিত্রই আপনাকে আকর্ষণ করেছিল। কিন্তু প্রেম-ভালবাসা আর বিয়ে কিন্তু এক জিনিস নয়। একটা জিনিস মনে রাখা দরকার যারা নিজের বুদ্ধির উপর অত্যান্ত বিশ্বাসী তারা নৈতিকতা এড়াতেও দ্বিধা করে না। কারণ তারা জানে কোনো অন্যায় করলেও সেখান থেকে সহজে বের হয়ে আসতে পারবে। এমন আচরণের পুরুষ থেকে সাবধান।

অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণ
আপনার যেকোনো বিষয় নিয়ে তার অতিরিক্ত মাথাব্যাথা মোটেও কাম্য নয়। নিজের পুরুষসঙ্গীকে যদি ঘণ্টায় ঘণ্টায় জানাতে হয় আপনি কোথায় যাচ্ছেন, কী করছেন, কার সঙ্গে রয়েছেন- তাহলে বুঝতে হবে আপনার প্রতি তার বিশ্বাসের অভাব রয়েছে। এরকম সম্পর্ক কিন্তু বেশিদিন টিকে না। এককথায় এটা একটি অস্থায়ী সম্পর্কে পরিণত হয়।
ভদ্র মেয়েরা হচ্ছে সমাজের সৌন্দর্য। এমন অনেক পুরুষ আছেন যারা ভদ্র মেয়ে বিয়ে করবেন এই ভেবে বিয়েই করছেন না, অথচ বিয়ের বয়স যাচ্ছে পেরিয়ে।
আসুন কিছু কমন বৈশিষ্ট্য দেখে চিনে নেই সত্যিকারের ভদ্র মেয়ে:

১) ভদ্র মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুব সচেতন থাকে। এমন কিছু পরে না যাতে করে বাহিরের কেউ চোখ তুলে তাকাতে সাহস করে। অনেকে বোরখা পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

২) ভদ্র মেয়েরা প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে। তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চায় না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করে তা টিকিয়ে রাখতে।

৩) ভদ্র মেয়েরা সবসময় বন্ধু, পরিবার এবং বয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দেয়। একটির জন্য অপরটির উপর প্রভাব পড়ুক তা তারা চায় না। যার জন্য তাদের ঝামেলা পোহাতে হয় বেশি।

৪) ভদ্র মেয়েদের রাগ একটু বেশি। যার উপর রেগে যায় তাকে মুখের উপর সব বলে দেয়। মনে কোনও রকম রাগ, হিংসে লুকিয়ে রাখে না। এতে অনেকের কাছে ঝগড়াটে উপাধিও পেয়ে বসে।

৫) ভদ্র মেয়েদের রাগের ঝামেলা পোহাতে হয় বিশেষ করে তাদের বয়ফ্রেন্ডকে। এরা রেগে থাকলে অযথা বয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে। পরবর্তীতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সরি বলে। যে মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতে হবে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে খুব বেশি ভালোবাসে।

৬) ভদ্র মেয়েরা সাধারণত ফেসবুকে ছবি আপলোড দেয় না। যদিদেয় তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে। ফেসবুকে কতিপয় লুলু পুরুষ থেকে তারা ১০০ হাত দূরে থাকে।

৭) ভদ্র মেয়েদের বন্ধু/বান্ধবের সংখ্যা খুব সীমিত থাকে ও এরা সাধারণ ঘরকুনো স্বভাবের বেশি হয়।

৮) ভদ্র মেয়েরা আড্ডা বাজিতে খুব একটা যেতে চায় না। যার জন্য তাদের বন্ধু/বান্ধব থেকেভাব্বায়ালি/আনকালচার খেতাব পেতে হয়।

৯) ভদ্র মেয়েদের কবিতা লেখার প্রতি আগ্রহ বেশি। তারা তাদের লেখা কবিতা সচরাচর কাছের মানুষ ছাড়া কাউকে দেখাতে চায় না।

১০) ভদ্র মেয়েদের কাছে পরিবারের সম্মানটুকু সবার আগে। তারা পরিবারের সম্মানের বিরুদ্ধে কোনও কাজ কখনও করে না।
যৌনতার জন্য টাকা খরচ করতে নিঃসঙ্গ বুড়োদের চেয়ে পেশাজীবী তরুণরাই এগিয়ে। ব্রিটিশ নাগরিকদের যৌন আচরণের উপর চালানো এক জরিপের তথ্য মতে, প্রতি দশজনের মধ্যে একজন যৌনতার জন্য টাকা খরচ করেন। যৌনতার পেছনে ব্যয়কারী ১১ শতাংশ ব্রিটিশের মধ্যে অধিকাংশই ব্যাংকক ও আমস্টারডামের মতো যৌন পর্যটনের জন্য পরিচিত স্থানগুলোতে ভ্রমণ যায়।

সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন নামের সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌনতার পেছনে ব্যয় করার সঙ্গে অতিরিক্ত মদ্যপান ও মাদক ব্যবহারের মতো অন্যান্য ‘আনন্দলিপ্সু ও ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের’ সম্পর্ক আছে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের একটি দল যৌন আচরণ ও জীবনযাপনের ধারার ওপর তৃতীয় জাতীয় জরিপে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব উপাত্ত তুলেধরেছে। তাদের প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৯০ দশকের তুলনায় দম্পতিরা এখন শারীরিকভাবে কম মিলিত হন। নারীদের ক্ষেত্রে যৌনতার পেছনে ব্যয় করার হার খুব কম। মাত্র শূন্য দশমিক এক শতাংশ।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.