প্রেমে পড়া মানুষের সহজাত প্রবণতা। আর প্রথম দর্শনে প্রেমের তো তুলনাই চলে না। নারীরা প্রথম দর্শনে এমনি এমনি কোনো পুরুষের প্রেমে পড়েন না। মূলত পুরুষদের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য এবং আচরণের কারণে মেয়েরা প্রথম দর্শনেই তাদের প্রেমে পড়ে যান। এখানে জেনে নিন পুরুষের সেই মনকাড়া বৈশিষ্ট্যের কথা।

১. পোশাক : প্রথম দর্শনে ভালো না লাগার অর্থ এই নয় যে, শেষ দর্শনে কোনো কাজ হবে না। তবে যাই বলুন না কেনো, একজন পুরুষের পোশাক-পরিচ্ছদ যেকোনো নারীকে মুহূর্তে ঘায়েল করতে পারে। স্মার্ট পোশাক রুচিশীল পুরুষের পরিচয় তুলে ধরে। আর প্রথম দর্শনেই এমন পুরুষের প্রেমে কে না পড়তে চান।

২. এলোমেলো সজ্জা : পুরুষদের অদ্ভুত এবং এলোমেলো স্টাইলের দারুণ ভক্ত নারীরা। তাই পরিপাটি নয় এবং রুক্ষ স্টাইলের ছেলেদের প্রেমে প্রথম দর্শনেই পড়ে যান মেয়েরা।

৩. সৌজন্যবোধ : আধুনিক ছেলেদের মাঝে নাকি সৌজন্যবোধ নেই। কিন্তু এ গুণে যে কেউ মুগ্ধ থাকবে। তাই সৌজন্যবোধসম্পন্ন ছেলেদের প্রেমে পড়েন মেয়েরা।

৪. নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ : প্রত্যেকের আত্মসম্মানবোধ রয়েছে। আর এর প্রতি প্রত্যেকের শ্রদ্ধাশীল থাকা ভদ্রতা ও সভ্যতার নামান্তর। নারীরা এমন পুরুষকে পছন্দ করেন যার নারীদের প্রতি শ্রদ্ধবোধ রয়েছে।

৫. আলাপী : আলাপচারিতা এমন এক বিষয় যার মাধ্যমে যেকোনো মানুষের মন জয় করা সম্ভব। পুরুষের আলাপচারিতায় মুগ্ধ হয়ে মেয়েরা নিমিষেই প্রেমে পড়ে যান।

৬. শৌখিন : এ ক্ষেত্রে শৌখিনতা বিলাসিতা নয়। পুরুষের দারুণ কিছু শখ নারীদের হৃদয় হরণ করতে পারে। তাই শখের মাধ্যমে রুচির জানান দেওয়া প্রত্যেক পুরুষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

৭. দেহের ভাষা : এর মাধ্যমে নিজেকে মেলে ধরতে পারেন যেকোনো মানুষ। কারো অঙ্গভঙ্গির কারণে তাকে ভালো লেগে যাবে আপনার। তাই একটি মেয়ের কাছে পুরুষে দেহের ভাষা বেশ গুরুত্ব রাখে।

৮. মিল : প্রত্যেক মানুষ চান, তার মনের মানুষের সঙ্গে তার মন-মানসিকতা ও রুচিবোধের কিছু মিল থাকবে। বহু নারী প্রথম দর্শনেই প্রেমে পড়েন এসবের সামান্য মিলের কারণে। আর এর মাধ্যমেই গড়ে ওঠে দুজনের রসায়ন।
অংকে সঠিক উত্তর পেতে যেমন সূত্র জানতে হয়, তেমনি ভালো থাকতে চাইলেও মেনে চলতে হয় কিছু সূত্র। অনেক চেষ্টা করেও কেন জানি ভালো থাকতে পারি না আমরা। অফিসে কাজের চাপ, বাড়িতে হাজারো হিসাব, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন - সব কিছু ঠিক রাখার চাপ আমাদের পুরো সত্তাটাকেই অসুখী করে রাখে। এই ঘরে-বাইরের টানাপোড়েনেও নিজেকে খুশি রাখা এখন কোনো শিল্পের চেয়ে কম কঠিন নয়। তাই জেনে নিন ভালো থাকার ৬টি সূত্র।

১. থাকুন ফিট
মানের আনন্দের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি হলো শারীরিক সুস্থতা। শরীর ফিট না থাকলে কোনো কিছুতেই ভালো লাগা খুঁজে পাবেন না। সবকিছু ঠিক রাখার জন্য আপনাকে থাকতে হবে সুস্থ। হালকা ব্যায়াম আর লো ক্যালরি খাবারের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। এছাড়া বছরে অন্তত দু বার এন্ডোক্রিনোলজিস্টের সাথে কনসাল্ট করে হরমোনের লেভেল পরীক্ষা করিয়ে নিন। কারণ অবসাদ বা আনন্দ অনেকটাই নির্ভর করে হরমোনের ওপর। তাই হরমোনের লেভেল পরীক্ষা করা জরুরি। মনকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা ভীষণ কঠিন কাজ। তার চেয়ে বরং শরীরটাকে একটু নিয়ন্ত্রণ করুন। এতে মনও অনেকটা ভালো থাকবে।

২. ছোট ছোট লক্ষ্য
অবাস্তব লক্ষ্যের দিকে ছুটে মরবেন না। বরং সহজসাধ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেটা পূরণ করার চেষ্টা করুন। এতে হতাশা কম হবে। আপনাকে সবচেয়ে বেশি চেনেন আপনি নিজেই। তাই সাধ আর সাধ্যের মধ্যকার দূরত্বটা বুঝতে হবে আপনাকেই। আশানুরূপ সাফল্য না পেলে তার মানে এই নয় যে আপনি একজন ব্যর্থ মানুষ। অন্যে কী সাফল্য পেল তা না ভেবে নিজের দিকে তাকান।

৩. অতিরিক্ত ভবিষ্যতের চিন্তা করবেন না
একটা সব সময় মনে রাখা উচিত যে, হাজার পরিকল্পনা সত্ত্বেও ভবিষ্যত সব সময়ই অনিশ্চিত। ভালো করে খেয়াল করে দেখুন, কত ধরনের ভালো লাগা, কত মূল্যবান মুহূর্ত আপনার জীবনকে ঘিরে রেখেছে। ভবিষ্যতের কথা বেশি ভাবলে অনেক সময়ই ছোট-ছোট প্রাপ্তিগুলো আমাদের নজর এড়িয়ে যায়। পরে কী হবে না ভেবে বর্তমানের সুন্দর অনুভূতিগুলোকে হেলাফেলা করবেন না।

৪. নিজেকে সময় দিন
যতই কাজের ব্যস্ততা থাকুক না কেন, নিজের ভালো লাগার কাজগুলোর জন্য সময় বের করুন। বাগান করুন, গান শুনুন, বই পড়ুন, মাঝে মাঝে বেড়াতে যান এদিক-ওদিক। নিজেকে সময় না দিলে কিন্তু আর সবকিছুর চাপ সামলানোর শক্তিটুকুও পাবেন না।

৫. কাঁদতে শিখুন
খুশি থাকতে চাওয়া মানে কিন্তু কষ্টকে জোর করে চেপে রাখা নয়। মুখে মেকি হাসি ঝুলিয়ে রাখলেই সুখী হওয়া যায় না। ভালো করে কাঁদতে শিখুন। কান্না হলো এক ধরনের ডি-টক্সিফিকেশন প্রসেস। কান্নার মাধ্যমে লুকিয়ে থাকা ভয় আর দুঃখ জাতীয় নেতিবাচক আবেগ একসাথে বের করে দেয়া হয়। এর ফলে নানা সমস্যার ভারে ভারাক্রান্ত মানুষ আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। খুব খারাপ লাগলে মাঝে মাঝে একটু কেঁদে নিন, মন বেশ হালকা হয়ে যাবে।
মেয়েরা মাঝে মাঝে নিরীহ গলায় বেশ মারাত্মক কিছু প্রশ্ন করে থাকেন যার উত্তর দেয়া আর নিজের পায়ে কুড়োল মারা ছেলেদের জন্য সমান কথা। কারণ এই প্রশ্নগুলো মেয়েরা ইচ্ছে করে ছেলেদের ফাঁদে ফেলে কথা শোনানোর জন্য করে থাকেন। যদিও সকলেই একইরকম নয় এবং সবাই সব প্রশ্ন করেন এমনটিও নয়। তারপরও নিচের এই ৯ টি প্রশ্ন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কম বেশি সব মেয়েরাই তার ভালোবাসার মানুষটিকে করে থাকেন এবং সত্যিকার অর্থেই তাদের ফাঁদে ফেলেন। কারণ প্রশ্নের উত্তর দেয়াও বিপদ না দেয়াও বিপদ।

১) তুমি কি আমাকে পছন্দ করো?
যদিও তিনি জানেন আপনি তাকে পছন্দ করেন, তারপরও নিরীহ গলায় প্রশ্ন করবেন। এখন যদি আপনি বলেন হ্যাঁ তাহলে শুরু হবে নতুন প্রশ্ন। আর না হলে তো যোগাযোগই বন্ধ।

২) তুমি আমাকে কেনো পছন্দ করো?
পছন্দ করেন কি না তা জানার পর যে নতুন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে আপনার তা হচ্ছে কেনো পছন্দ করেন। যদি কোনো কিছু সুন্দর বলেন তবে মেয়েটি বলবেন, ‘শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যই দেখলে’, আর যদি বলেন তুমি অনেক ভালো, তাহলেও গাল ফুলিয়ে বলবেন, ‘আমি কি সুন্দরী নই?’। সুতরাং যাই বলবেন বিপদ আপনার।

৩) তুমি কি কিছু চিন্তা করেছ?
যদি কোনো ব্যাপারে কথা বলার বা সিদ্ধান্ত নেয়ার থেকে থাকে বা আপনি যদি কিছু চিন্তা করেও থাকেন তাও এই প্রশ্নের উওর আপনার জন্য ডেকে আনবে বিপদ। কেনো জানেন? আপনি যদি বলেন হ্যাঁ করেছি, তখন তার বিপরীতে আপনাকে শুনতে হবে ‘এতো চিন্তার কি আছে’। আর যদি বলেন না, করিনি তাহলে আপনি শুনবেন ‘আমার ব্যাপারে তুমি কোনো চিন্তাই করো না’।

৪) তুমি কি আমার বান্ধবীদের পছন্দ করো?
খুব ভয়ানক একটি প্রশ্ন। যদি আপনি বলেন হ্যাঁ করি, তাহলে গাল ফুলিয়ে বলবেন ‘ও! তাই, আমাকে এখন পছন্দ নয়’। আর যদি না বলেন তাহলে ঝগড়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন, কারণ তখন তিনি বলবেন, ‘আমার বান্ধবীরা কি খারাপ?’।

৫) আমাকে কি মোটা দেখাচ্ছে?
যতোটা সম্ভব এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া এড়িয়ে চলুন। কারণ হ্যাঁ বললে পস্তাবেন আপনি। আবার না বললে একগাদা কথা শুনতে হবে কারণ তার কাছে তাকে মোটা মনে হচ্ছে। আবার হেসে উড়িয়ে দেয়াটাও বিপদ, কারণ তিনি মুখ ভার করে বলবেন ‘আমাকে তুমি দেখোই না’।

৬) তুমি কি আগে আমাকে বেশি ভালোবাসতে নাকি এখন বাসো?
মারাত্মক একটি প্রশ্ন। খুব বুদ্ধি খাটিয়ে এবং পারলে নিজেও একটু ঘুরিয়ে উল্টো প্রশ্ন করে বসুন। নতুবা এই প্রশ্নের উত্তর আপনাদের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থার বারোটা বাজাবে।

৭) তুমি কি কিছু ভুলে যাচ্ছ?
আরেকটি ভয়াবহ প্রশ্ন। মেয়েটির সাথে দেখা হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত যা ঘটেছে সব কিছু খুঁটিয়ে মনে করার সময় চলে এসেছে। কারণ যদি আসলেই কিছু ভুলে গিয়ে থাকেন তাহলে রক্ষা নেই।

৮) আমাকে কি একটু অন্যরকম দেখাচ্ছে?
প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্টাই করবেন না। হেসে বলুন ‘আমার কাছে তুমি সব সময়েই অন্যরকম অসাধারণ’। কারণ যদি উত্তর ভুল হয় তাহলে কপালে দুঃখ আছে, আর যদি উত্তর দিতে না পারেন তবে শুনবেন ‘আমার দিকে আজক পর্যন্ত ভালো করে তাকিয়েছ কখনো?’।

৯) আমি কি বলি তা কি তোমার মনেই থাকে না?
যদি বলেন মনে আছে তাহলে গোঁ ধরে বসে যাবেন কি কি মনে আছে তা শোনার জন্য। আর যদি বলেন মনে নেই তাহলে যুদ্ধ শুরু। সুতরাং পড়ে গিয়েছেন ফাঁদে।
সাধারণত আমরা বেশিরভাগ মেয়ের ক্ষেত্রেই দেখি ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের গলার স্বর মিষ্টি, সুরেলা ও চিকন হয়ে থাকে। যা ছেলেদের কণ্ঠে আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম শুনি। ছোট ছেলেমেয়েদের গলার স্বরে কোনো তফাত সাধারণত বোঝা যায় না। বয়ঃসন্ধির সময় থেকে ছেলেদের গলার স্বর ভারি, গম্ভীর হতে থাকে। প্রথমে গলার স্বর ভাঙে, পার আস্তে আস্তে গভীর,তারপর গম্ভীর হয়ে যায়।
মেয়েদের গলার স্বর কিন্তু বে…শি পাল্টায় না। কিন্তু ছেলেদের স্বর পাল্টায় কেন? আমরা স্বরযন্ত্রের সাহায্যে কথা বলি। স্বরযন্ত্রের মধ্যে আছে স্বরপর্দা, এদের কম্পনের ফলে বায়ু তরঙ্গের সৃষ্টি হয়। এই বায়ু তরঙ্গই শব্দ বা স্বরের সৃষ্টি করে।

কণ্ঠস্বরের মিষ্টতা, শব্দের এক বিশেষ ধর্মের ওপর নির্ভরশীল, একে বলে তীক্ষ্নতা। তীক্ষ্নতা আবার নির্ভর করে শব্দ কম্পনের ওপর। বয়ঃসন্ধির সময়ে ছেলেদের শরীরে এক বিশেষ ধরনের হরমোন বেরোয় যার নাম অ্যান্ড্রোজন।

সব পুরুষালি বৈশিষ্ট্য যেমন-দাড়ি, গোঁফ গজানো, গলার স্বর ভারি হওয়ার জন্য এই হরমোনই দায়ী। এগ্রোজেন ছেলেদের স্বরযন্ত্রের আয়তন বাড়ায় এবং স্বরপর্দাকে অনেক পুরো আর দীর্ঘ করে। ফলে তাদের কম্পাঙ্ক অনেক কম হয়। ছেলেদের স্বাভাবিক কথাবার্তার সময়ে কম্পাঙ্ক সেকেন্ডে ১২০ বার যেখানে মেয়েদের কম্পাঙ্কের সংখ্যা ২৫০।

তাই মেয়েদের গলার স্বরের তীক্ষ্নতা বেশি। অ্যান্ড্রোজেনের প্রভাবেই ছেলেদের গলার স্বর গভীর এবং গম্ভীর শোনায়। মেয়েদের দেহে এই হরমোনের প্রভাব অনেক কম থাকায় তাদের স্বরযন্ত্রের আকার ও গঠন পাল্টায় না। আর কণ্ঠস্বরের কম্পাঙ্ক ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের বেশি হয় বলে তাদের গলা মিষ্টি শোনায়
সুদর্শন সুপুরুষ ছেলেটিকে দেখে প্রশংসাসূচক দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকে যেকোনো মেয়ে। কাজেই ছেলেটি নিজের বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়াতে গিয়ে প্রায়ই হোঁচট খেতে হয় তাকে। এর কারণ অনুসন্ধান করে গবেষকরা বের করেছেন যে, এর মূলে রয়েছে ছেলেদের বড় মাপের ছয়টি ভুল। যার খেসারত দিতে হয় সম্পর্কটি অঙ্কুরে বিনষ্ট করে। মূলত ছেলেদের এসব ভুলের কারণে যেকোনো মেয়ে তার থেকে এক শ হাত দূরে ছিটকে যায়।

১. সহজে বেজায় খুশি:

সম্পর্কের শুরুতে বেশি খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আগ্রহী হয়ে ওঠা ছেলেদের একটি বড় ভুল। হাস্যকর না হলেও মেয়েটির কৌতুকে অযথা হেসে কুটিকুটি হওয়া বা সে যা বলে তা করতে সদাপ্রস্তুত থাকা- এমন ছেলেদের নিয়ে মেয়েরা বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। ইতিবাচক মন্তব্য মেয়েরা পছন্দ করলেও তাদের খুশি করার মাত্রাতিরিক্ত প্রচেষ্টায় রীতিমতো নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে তারা।

২. খুব শিগগিরই বেশি অধিকার খাটানো:

আপনার সম্পর্ক অল্প কিছু দিনের। প্রেমিকা তার বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে গেছে এবং আসতে একটু দেরিই হচ্ছে। ব্যস, আপনি পাগল হয়ে গেলেন। বারবার ফোন, ম্যাসেজ আর ফেসবুকে খুঁজতে খুঁজতে প্রেয়সীকে অস্থির করে তুললেন। এই ধরনের আচরণে মেয়েটি বিরক্তবোধ করবে।

৩. আপনি জানেন বিষয়টি কেমন:

ধরুন, আপনার প্রেমিকা তার অন্য বন্ধু বা ছেলে কলিগদের সাথে দু’ঘণ্টা ধরে আড্ডা দিচ্ছে। এতো সময় পেরিয়ে গেলেও আপনি তার কোনো খোঁজ করলেন না। বরং হিংসাভারাক্রান্ত মন নিয়ে বাসায় বসে ভিডিওগেম খেলা শুরু করলেন। দুর্ভাগ্যক্রমে আপনার প্রেমিকা এ বিষয়টিকে মোটেও ভাল চোখে দেখবে না। হিংসার পথে না গিয়ে তাকে বোঝান যে, সে তার খুশিমতো চলতে ফিরতে স্বাধীন। আর যদি তা করতে পারেন, দেখবে উল্টো মেয়েটিই আপনার সাথে সময় কাটাতে চাইছে।

৪. যেকোনো খরচে মানিব্যাগটি বের করে ফেলেন:

রেস্টুরেন্টে একসাথে খেতে গেলেই আপনি দামি খাবার ছাড়া অর্ডার দেন না। খরচের মুহূর্তে নিজের পকেট থেকে মানিব্যাগটা সব সময়ই বের করেন। এ ধরনের স্বভাব বেশ অস্বস্তিকর মেয়েদের জন্য। বরং অন্য কোনো সাধারণ খাবার খেতে যান তাকে সাথে করে। আবার সে বিল দিতে চাইলে তাকে দিতে দিন। এতে মেয়েটির ভাল লাগবে।অন্যদিকে, প্রতিবার বিলের ঝক্কি প্রেমিকার ঘাড়ে চাপানোও ভালো নয়। এতে আপনার সাথে মেয়েটি কোনো ভবিষ্যৎ দেখতে পাবে না।

৫. অতীত প্রেম নিয়ে টানাটানি:

আপনার জীবনে সাবেক প্রেম থাকতে পারে। এ ঘটনা জানতেও পারে নতুন প্রেমিকা। এ জন্য তার কাছে প্রায়ই আগের প্রেমিকার দোষ তুলে ধরা বা তার সঙ্গে অশান্তির জীবনের বয়ান দেওয়া বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। আপনাকে অবধারিতভাবেই সে জঞ্জাল বলে মনে করবে। তা ছাড়া এ ধরনের গল্পে নতুনজন নিজেকে আপনার অনেক দূরের একজন বলে ভাবতে শুরু করবে।

৬. শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে পীড়াপীড়ি করা:

মেয়েরা সাধারণত ভালবেসে দীর্ঘ সম্পর্কে আবদ্ধ হতে চায়। প্রায়ই দেখা যায়, এ কারণে ছেলেরা প্রেমিকার সাথে দৈহিক সম্পর্ক করতে পীড়াপীড়ি করে। আসলে এমন করার প্রয়োজন নেই। সে নিজেই আপনাকে বুঝিয়ে দিবে যে কখন সে প্রস্তুত। আর ধারণার অনেক আগেই হয়তো মেয়েটি আপনার সাথে এমন সম্পর্কে জড়াতে চাইবে। কাজেই তাকে সময় দিন।
নারীরা তার প্রিয় মানুষটির কাছে কতো কিছুই না চায়। পুরুষরা বলেন, নারীর চাওয়ার নাকি শেষ নেই। কিন্তু বহু মনো-পরীক্ষা আর গবেষণার পর এ রহস্যভেদের চেষ্টা চালিয়েছেন অভিজ্ঞরা। তারা বলছেন, সব নারীর মোটামুটি ১০টি মৌলিক চাওয়া আছে যা একজন পুরুষের কাছে তারা আশা করে থাকে। এ ১০টি বিষয় জেনে রাখলে আপনি প্রেমিকা বা অর্ধাঙ্গিনীকে অনেক সুখী করতে পারেন। বহু নারী নিজেরাই এ কথাগুলো বলেছেন। তাদের ভাষাতেই তুলে দেয়া হল।

১. ছেলেটা আমাকে শুধুই দেখতে চায়- এ আকাঙ্খা সব নারীরই থাকে তার পুরুষ সঙ্গীর কাছে। অবসরে মোবাইলে মিষ্টি মেসেজ, ফুল, চকোলেট, কার্ড, ঘুরতে যাওয়া ইত্যাদি কাজে ছেলেরা যেনো কখনোই ক্ষান্ত না দেয়। আমরা মনেপ্রাণে চাই যে আমার প্রেমিক যেনো এসব কাজ সবসময় করে।

২. আমরা নিরাপদ বোধ করতে চাই। একটা ছেলের সাথে সময় কাটানোর সময় যেনো মনে হয় পরিবারেরই কারো সাথে আছি। তাকে আমি চিনি-জানি। কাজেই ছেলেদর উচিত আমাদের কাছে নিজেকে স্পষ্ট করে তোলা।

৩. তুমি আমার সবকিছু, আমার প্রিয়তমা- এমনভাবেই যেনো ছেলেরা আমাদেরকে দেখে। মেয়ে হয়ে আমরা তোমাদের সমান নই, তা মানতে রাজি নই। আমাদের সব কাজেই তোমাকে এগিয়ে আসতে হবে তা কিন্তু নয়। আবার তাই বলে ছেলেদের ভদ্রতা বা সৌজন্যবোধ সম্পর্কে আমরা যথেষ্ট সজাগ। মেয়েরা আসলে পুরুষের কাছে নিজেদেরকে খুব ঐশ্বর্যমন্ডিত, আদুরে এবং সৌন্দর্য্যের উপমা হিসেবে দেখতে চায়।

৪. আমরা কথা বলতে পছন্দ করি। আর এসব কথা আমার প্রেমিক বা হাজবেন্ড মনযোগ দিয়ে শুনলে আমাদের আর কিছুই চাই না। সব কথাই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা নয়। অযথা বকবক হলেও আমাদের কথা বলতে ভাল লাগে। ছেলেরা শুধু শুনলেই চলবে।

৫. আমরা আশা করি ছেলেরা যেনো সম্পর্কের নানা ঘটনা বা বিশেষ সময়টি মনে রাখে। কারণ সে যা পছন্দ করে তা নিশ্চয় মনে রাখে। ক্রিকেট খেলা কোন দিন বা অমুকের সঙ্গে মিটিং কবে এসব মনে রাখতে পারলে আমাদের প্রথম প্রপোজের দিন বা মেয়েদের জন্মদিন কেনো মনে রাখতে পারবে না।

৬. আমরা সাজগোজ করতে ভীষণ ভালবাসি। কাজেই যেকোনো সময় আমাদের রূপচর্চা বা সাজসজ্জার ব্যাপারে উদার হতে হবে। আর এ কারণে অন্যরা আমাদের দিকে একটু বেশি তাকালে দুশ্চিন্তায় পড়ে যাওয়ার কিছু নেই। কারণ আমি সারাক্ষণ তোমার বুকেই আছি।

৭. ছেলেরা যা কথা দেয় সেগুলো রাখলে মেয়েরা বেজায় খুশি হয়। মেয়েরা হালকা সৌজন্যবোধ পছন্দ করে। ছেলেদের সময়ানুবর্তীতা আমাদের কাম্য। আর যদি কিছু পরিবর্তন ঘটতে থাকে তাদের মনে, তবে তা খোলাসা করে বলে দেয়াই ভাল।

৮. মেয়েদের মন থেকে ভালবাসতে হবে। ঠিক যেমন ছেলেরা মেয়েদের মোহনীয় সৌন্দর্য্যে পাগল, আমরাও তেমনি স্বপ্নীল প্রেমালাপ আর খাঁটি ভালবাসা পেতেই অপেক্ষা করি।

৯. আমরা খেলা ও খেলতে পছন্দ করতে পারি। তবে তা যে ছেলেটির পছন্দের হতে হবে তা কিন্তু নয়।

১০. এটা ছেলেরা হয়ত বিশ্বাস করতে চাইবে না; কিন্তু একেবারে সত্যি। আমরা সবসময় ছেলেদেরকে তাদের আড্ডা থেকে দূরে রাখতে চাই না। আমরা বুঝি যে এসবের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ আমাদেরও বান্ধবীদের সাথে আড্ডা দিতে অনেক ভাল লাগে। খুব সহজ সরল বিষয়। এই ব্যাপারগুলো একটু খেয়াল করে পালন করলেই একটি ছেলে তার প্রিয়তমার অনেক চাওয়া-পাওয়া পূরণ করতে পারে। মেয়েরা নিজেরাই তা আপনাদের শিখিয়ে দিয়েছেন অবলীলায়।
দামী দামী গিফট দেয়া, নিয়মিত ঘুরতে নিয়ে যাওয়া, সব আবদার পূরণ করা, সুখে দুখে সবসময় পাশে থাকা- সবই করেছেন নিঃস্বার্থ ভাবে। কিন্তু তার পরেও এতো বছরের সম্পর্কের মায়া ত্যাগ করে আপনাকে একা ও নিঃস্ব করে দিয়ে চলে গেলো মেয়েটি। এমন পরিস্থিতিতে হয়তো অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে এটা প্রেম নাকি প্রতারণা! পৃথিবীর সব প্রেমই তো খাঁটি নয়। প্রেমের মাঝেও আসল-নকল আছে। যেই মানুষটিকে আপনি মনে প্রানে ভালোবাসছেন সেই মানুষটিও আপনাকেও একই ভাবে ভালোবাসে কিনা তা কীভাবে বুঝবেন? কীভাবে বুঝবেন যে আপনার প্রেমিকার সাথে আপনার সম্পর্কটি শেষ পর্যন্ত বিয়েতে গড়াবে কিনা? আসুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে বুঝতে পারবেন প্রেমিকা আপনাকে প্রতারণা করবে কিনা।

অতিরিক্ত চাহিদাঃ

অনেক নারীই ভালোবাসার চাইতে উপহার পেতে বেশি পছন্দ করে। কম দামের উপহার পেলে মন ভরে না এ ধরণের নারীদের। অধিক দামের উপহারের দিকে আকর্ষণ বেশি থাকে তাদের আর সেটা দিয়েই তাদের ভালোবাসার পরিমাপ। আপনার প্রেমিকা যদি আপনার কাছ থেকে দামী দামী উপহার চেয়ে নেয় কিংবা দামী রেস্তরাঁ ছাড়া ডেটিং-এ আপত্তি করে, তাহলে আগেই সাবধান হয়ে যান। কারণ যে নারী আপনাকে বিয়ে করার ইচ্ছায় প্রেমের সম্পর্কে জড়াবে, আপনার আর্থিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে অতিরিক্ত খরচ করতে সে নিরুৎসাহিত করবে সব সময়। আর যে ধরণের নারীরা অতিরিক্ত খরচ করতে বাধ্য করে তারা সাধারণত সম্পর্ককে বিয়ের পরিণতি দিতে চায় না। যতদিন আপনার কাছে টাকা থাকবে ততদিনই কেবল এ ধরণের সম্পর্ক টিকে থাকবে।

পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল নয়ঃ

প্রেমিকার যদি আপনাকে বিয়ে করার ইচ্ছা থাকে তাহলে সে চেষ্টা করবে আপনার পরিবারের মন যোগানোর। পরিবারের ছোট খাটো দায়িত্ব পালনে সে আগ্রহ প্রকাশ করবে এবং বেশ যত্ন সহকারে দায়িত্ব পালন করবে। আর যে ধরনের প্রেমিকারা বিয়ের উদ্দেশ্যে প্রেম করছে না, তারা আপনার পরিবারে ব্যাপারে তেমন কোনও আগ্রহই দেখাবে না। পরিবারে কুশলদি জিজ্ঞেসা করা কিংবা পরিবারের সদস্যদেরকে সম্মান করার বেলায় সে সবসময়েই উদাসীন থাকবে। তাই এ ধরণের নারীদের সাথে সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়ানোর আশা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। আপনার আয় নিয়ে কটাক্ষ করা প্রেমিকার যদি আপনার আয় নিয়ে কটাক্ষ করা কিংবা আপনার পেশাকে ছোট করে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার অভ্যাস থাকে তাহলে আগেই সাবধান হয়ে যান। কারণ এ ধরণের নারীরা সাধারনত বিয়ে করার উদ্দেশ্যে প্রেম করে না। নিছক সময় কাটানো কিংবা খরচ চালানোর জন্য প্রেম করে থাকে তাঁরা। তাই এধরনের নারীদের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

আপনার প্রতি যত্নশীল না হওয়াঃ

যে মানুষটিকে আপনি জীবন সঙ্গিনী করে ঘরে আনতে চাইছেন সে কি আপনার প্রতি যথেষ্ট যত্নশীল? নাকি সে আপনার সুবিধা-অসুবিধা, পছন্দ-অপছন্দের দিকে কোনও ভ্রুক্ষেপই করে না? সাধারণত যে নারীরা প্রেমিকের সুবিধা অসুবিধা চিন্তা করে না এবং প্রেমিকের প্রতি একেবারেই যত্নশীল না, তারা সম্পর্ককে বিয়ের পরিণতি দিতে চায় না ও প্রতারণা করে।

অহংকারীঃ

অহংকারী নারীর সাথে প্রেম করছেন না তো? অহংকারী নারীর সাথে প্রেম করে থাকলে আপনার প্রেমের সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত টিকে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। অহংকার একটি সম্পর্ককে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়। ছোট ছোট বিষয় নিয়ে সারাক্ষণ অহংকার করে যেই নারীকে বিয়ে করে সুখীও হওয়া যায় না। আর এধরণের নারীদের প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রতারণা করার হার বেশি থাকে।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.